আমি বাত কাই
আমরা কাতারআমি বাত কাই
বৃদ্ধাশ্রম
তুষার কান্তি সিকদার:
ছোট বেলায় মা মারা যায়; আর তখন থেকেই ছোট্র শিশু অনন্তের শুরু হয়ে যায় এক মহা সংগ্রাম। অনন্তের বাবা কঠিন পরিশ্রম করে ছেলের দেখাশুনা করতে পারতেন না। সংসারের এতো বড় চাপ একা সহ্য করতে না পেরে আত্নীয় স্বজনের অনুরোধে অনন্তের বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করলেন। সৎমা যেমন হয় ঠিক তেমনি হল; মাত্র কয়েক বছরে অনন্তকে বাড়ি ছাড়তে হল। বড় মামীর অনিচ্ছা সত্তেও বড় মামার বাড়িতে আশ্রয় পেল।
অনন্ত যেন সৎ মার যন্ত্রনা থেকে কিছুটা মুক্তি পেল। মামা-অনন্তকে স্কুলে ভর্তি করে দিলেন। শুরু হল অনন্তের নতুন জীবন। মামীর চোখ রাগানি, কতনা বেশি কথা অনন্ত যেন নিরবে সহ্য করতো।
মামাতো ভাই-বোনদের সাথে সব সময় মিলে মিশে চলার চেষ্টা করতো, নিজে কোন দোষ না করেও অনেক সময় দোষ স্বীকার করতো। কিন্তু বিনিময়ে তাকে নানা প্রকার কটু কথাও শুনতে হতো। স্কুল থেকে ফিরে মামার মুদি দোকানে দোকানদারির কাজ করতো অনন্ত। বাকিটুকু পড়ুন »
আর একটা বিজয়
মশিউর রহমান (নীলকমল)
অনেক মুক্তিকামী জনতা বুদ্ধিজীবি করেছ হত্যা
আজও অপুরনীয় সেই অভাব সেই শূন্যতা
দোসরদের হাতে মা বোনকে দিয়েছিলে তুলে
আজও সেই কষ্ট মনের কোনে ধিক্ ধিক্ জ্বলে।
বাংলা মায়ের কুলাঙ্গার তোমরা গোলাম আজম
তোমাদের এতটুকু নাই লাজ নাই কোন শরম
তোমরা মিথ্যুক তোমরা ঘাতক ও হে! রাজাকার
বহু ছলচাতুরী করে অনেক সময় করেছো পার
এবার শেষ সকল চালবাজী হয়ে যাও তৈরি
ঘুঘু তোমাদের গলায় এবার পরাবোই দড়ি।।
সেকালের চিঠি একালের চিঠি
নাজমুল ইসলাম মকবুল :
বৈদেশ গেলে বন্ধু তুমি আমায় ভুইলোনা, চিঠি দিয়ো পত্র দিয়ো জানাইয়ো ঠিকানারে জানাইয়ো ঠিকানা……। বন্ধু বা আপনজন দুর বিদেশে যাবার সময় যখন বুকফাটা কান্নায় বিদায় নিতে উদ্যত হতেন তখন দেশের বন্ধু বা প্রিয়জন তার প্রিয়তমকে বিদায় দেবার কিংবা অনেকদিন পাশে না পাবার বেদনা হয়তো এই গানের মধ্যে পাওয়া যায়। আবার বন্ধু বা আপনজন অনেকদিন চিঠিপত্র না দিলে বা যোগাযোগ না রাখলে বিচ্ছেদের জ্বালায় মন আকুবাকু করে উঠতো, তখন বার বার মনে পড়তো প্রিয়তমকে, আর মনের অজান্তেই হয়তো গেয়ে উঠতো, নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম, বন্ধুর কাছে মনের খবর কেমনে পৌছাইতাম……….,। বাকিটুকু পড়ুন »


